
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
‘বাংলাদেশে নতুন পাবলিক ম্যানেজমেন্ট সংস্কারের পূর্বশর্তের ওপর একটা তুলনামূলক গবেষণা’ বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন বালাগঞ্জের কৃতি সন্তান মো. রুমেল আহমদ। তিনি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার গৌরীনাথপুর গ্রামের মো. আহমদ আলীর পুত্র। তাঁর গৌরবোজ্জ্বল কৃতিত্বে আনন্দিত বালাগঞ্জবাসী।
গেল ২০ ফেব্রুয়ারি মো. রুমেল আহমদ তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেন, আজ আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম দিন। দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউনিভার্সিটি দোংআ ইউনিভার্সিটি থেকে অফিসিয়ালি ডক্টরেট ডিগ্রি (Doctor of Philosophy in Public Administration) গ্রহণ করলাম।’
‘২০১৮ সালে অনিশ্চিত স্বপ্নের দিকে পা বাড়ানোর পর অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজকের সফল পরিসমাপ্তি, যা ছিল অনেক কঠিন ও অবাস্তব। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ও রহমত এবং আমার পরিবার ও বন্ধু -বান্ধবদের দোয়া ছিল বলে আজ আমি গন্তব্যে, আলহামদুলিল্লাহ’- লিখেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও লিখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা যে তাঁর অসীম হেদায়াত আর নিয়ামত আমাকে দান করেছেন সেগুলোর শুকরিয়া আদায় করে আমি শেষ করতে পারবো না। আজ পর্যন্ত যখন যা চেয়েছি তার চেয়ে বেশি তিনি আমাকে দান করেছেন। আমার জীবনে পাওয়ার আর কিছু বাকি নেই। এই জীবনে যদি এই দানকৃত অভিজ্ঞতা দিয়ে মানুষের জন্য কিছু করে যেতে পারি সেটাই হবে আমার জীবনের প্রকৃত সার্থকতা।’
মো. রুমেল আহমদ ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও স্বনামধন্য দোংআ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ নিয়ে পাব্লিক এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে ‘অরগানাইজেশনাল ম্যানেজমেন্ট’- এ মেজর নিয়ে পিএইচডি করতে যান। দোংআ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. ইয়োন উন গি’র তত্ত্বাবধানে থেকে কোরিয়ার জনপ্রিয় দু’টো জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন।
তিনি তাঁর নিজ গ্রামে বাড়ির পাশে আপন দাদার প্রতিষ্ঠিত স্কুল পশ্চিম গৌরীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পাঠদানের পর বালাগঞ্জ ডি. এন. উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০০৭ সালে মাধ্যমিক এবং সিলেট সরকারি কলেজ থেকে ২০০৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন।
এরপর ২০০৯ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে মেরিট লস্ট এ স্থান পেয়ে ‘পলিটিক্যাল স্টাডিজ’ বিষয়ে ২০১০-১৪ সাল পর্যন্ত স্নাতক (সম্মান) ও ২০১৫ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করেন।
এছাড়াও তিনি প্রায় ২ বছর পর্যন্ত বালাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে খন্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা করেছেন। এর পাশাপাশি বালাগঞ্জে ‘ইন্সপিরেশন’ কোচিং নামের একটি কোচিং সেন্টার চালু করেন যার উদ্দেশ্যে ছিল উচ্চ মাধ্যমিকে বালাগঞ্জের শিক্ষার্থীদের উন্নতি এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সাহায্যে ও পরামর্শ দেয়া।